ভারত ও থাইল্যান্ডে কিছুটা বেড়েছে চালের দাম

মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে রফতানি হওয়া চালের দাম চলতি সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছে।

মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে রফতানি হওয়া চালের দাম চলতি সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছে। যদিও এ সময় নিম্নমুখী চাহিদার কারণে মূল্যবৃদ্ধি সীমিত ছিল। অন্যদিকে ভিয়েতনামের চালের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভারতে চলতি সপ্তাহে চালের দাম ২২ মাসের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে এ সময় ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সেদ্ধ চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৩৮৯-৩৯৬ ডলার। আগের সপ্তাহে প্রতি টন চাল ৩৮৮-৩৯৪ ডলারে বিক্রি হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির কিছুটা শক্তিশালী বিনিময় হার এ মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

ভারতে চলতি সপ্তাহে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সাদা চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৩৮২-৩৮৮ ডলার। কলকাতাভিত্তিক এক রফতানিকারক জানান, আফ্রিকার ক্রেতারা এখনো দাম কমার অপেক্ষায় আছেন। তারা বর্তমানে কয়েক মাস আগে উচ্চ মূল্যে আনা চালান খালাস করতে ব্যস্ত।

ভারতে ১ এপ্রিল পর্যন্ত চাল (ধানসহ) মজুদের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার টন, যা সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৩৬ লাখ টনের তুলনায় অনেক বেশি।

এদিকে থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম বেড়ে টনপ্রতি ৪১০ ডলারে পৌঁছেছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৪০৫ ডলার। ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘মুদ্রার বিনিময় হারের কারণে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে চাহিদা একেবারেই কম। বিষয়টা উদ্বেগজনক। চলতি বছর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রয়াদেশ কমে আসছে।’

ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম বৃহস্পতিবার ছিল টনপ্রতি ৩৯৫ ডলার, যা এক সপ্তাহ আগের ৩৯৬ ডলারের কাছাকাছি। হো চি মিন সিটির এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সরবরাহ কম। সরকার জুনের শেষ নাগাদ রাষ্ট্রীয় মজুদের জন্য ২ লাখ ২০ হাজার টন চাল কিনবে। যদিও ক্রেতাদের কাছে চাহিদা এখনো নিম্নমুখী।’

আরও